Sunday, May 1, 2016

সদস্য ফরম

“পৃথিবী দির্ঘতম তালের সারি তৈরীর লক্ষ্যে” এক যুবকের স্বপ্ন হাজার মানুষের কৌতুহল জেগেছে আজি বেজেছে মাতাল। যেখানে বাধা সেখানে সফলতা, যেখানে স্বপ্ন সেখানে পূর্ণতা, কেন বলতে হল এই কথা? শুরু থেকে অনেক বাধা অতিক্রম করে আজ এ পর্যন্ত আসতে পেরে অনেক কথাই মনে পড়ে যায়। তবু কোন দিন হতাশাগ্রস্থ হয়নি। বুকভরা আশা আর স্বপ্ন সারাক্ষণ বসন্তের জানালায় কড়া নেড়েছে। শুরুতে যারা আমার সাথে ছিল তাদের অনেকেই আজ নেই। হয়তো তারা এখন মনে মনে আফসোস করে কিন্তু মুখ ফুটে বলতে পারে না। তাই তাদের জন্য বলি হতাশা হবেন না । কারণ আমি এটা পছন্দ করিনা। আপনাদের জন্য আমরা সর্বক্ষনিক মমতাময়ী। আপনারা আসুন আমরা সবাই মিলে এই মহৎ কাজ করি। আর নতুনরা যে কোন সময় যে কোন দিন আমাদের সাথে সন্দর্য্পূর্ণ এই কাজে অংশগ্রহন করে আপনিও হতে পারেন আমাদের এক জন। আমরা এখানে একটি হাদিসের কথা দিয়ে এটুকু বলতে চাই আমাদের কাজ নিঃসন্দেহ ভাল কাজ। মুসলিম যে গাছ লাগায় তা থেকে কোন মানুষ, কোন জন্তু এবং কোন পাখী যা কিছু খায়, তবে তা তার জন্য সাদকাহ হয়ে যায়” (সহীহুল বুখারী ২৩২০,মুসলিম ১৫৫২শুরু থেকে আমার একার প্রচেষ্টার মধ্যে যারা প্রথম ছিল তাদের নাম না বললেই নয় এই লিংকে জেনে নিন-http://niemreza.blogspot.com/2015/09/blogpost_13.html
আমাদের এই এক দল যুবকের আপ্রাণ প্রচেষ্টা 20 কিলোমিটার রাস্তার পাশে তালের চারা রোপন করা শেষ হয়েছে। এখন আমারা আগামী 10 সেপ্টেম্বর 2016 সালে যশোর পুলেরহাট থেকে রাজগঞ্জ হয়ে পাটকেলঘাটা, সাতক্ষীরা। যে রোড নতুন সংস্কার হয়েছে এই রাস্তা আনুমানিক 70 থেকে 75 কিলোমিটার রাস্তা আমরা তাল গাছ লাগানোর উদ্যোগ নিয়েছি। যে হেতু আমরা পৃথিবীর দির্ঘতম তালেগাছের সারি তৈরী করতে চাচ্ছি, তাই এই 75 কিঃ ও আমাদের আগের 20 কিঃ মোট 95 কিঃ মিঃ রাস্তা সমাপ্ত করতে পারলে হয়তো আমরা একদিন সফল হতে পারব। আমাদের স্বপ্ন বাস্তবে রূপ নিবে। আমরা চাই আমাদের স্বপ্নের সাথে আপনিও স্বপ্ন দেখুন এবং আমাদের সাথে কাজ করুন। যদি আপনি বাংলাদেশের অন্য কোন প্রান্তে থেকে থাকেন তবে কি করবেন? আমাদের 01818 655090 নং যোগাযোগ করুন। আমরা আপনার মাধ্যমে সেখান থেকেও কাজ শুরু করব। কারণ আমাদের “পৃথিবী দির্ঘতম তালগাছের সারি তৈরীর লক্ষ্যে” শুধু এটাই লক্ষ নয়! “একটি বৃক্ষ হতে পারে আপনার জীবনের রক্ষা কবচ” শুধু কি আমরা তাল গাছ লাগাব? না আমরা ইতি মধ্যে 200 বাসা বাড়িতে ফলজ বৃক্ষ দিয়ছি। অতএব আমরা সকল গাছের পরিচর্যা ও রক্ষণাবেক্ষণ করে থাকি। পরিবেশের ভারসম্য রক্ষার্থে আমাদের এই সৎ সাহসের কাজ কিরছি। এটা সম্পূর্ণ সমাজ সেবার ও পর সেবার উদ্যেষে, নিজের জন্য নয়। আমরা সকলে জানি গাছ আমাদের পরম বন্ধু , “কারণ যাদের ঈশ্বরে বিশ্বাস নেই তারাও এই বৃক্ষ থেকে নিঃশ্বাস নিয়েবেচে থাকে।” আপনার একটি ভাল কাজ আপনার জীবন সার্থক করে দিতে পারে। ভাল কাজ করার মজাটাই আলাদা। সিরাজগঞ্জ আজগর ভাই তার কথা না বললেই নয়। তার সাথে কথা বলে আমার জীবনের একটা বড় ভুল ভেঙ্গে গেল। তার কাছে প্রশ্ন করলাম ভাই আপনি যে গাছ লাগান অনেকেই তো ডাল, পাতা, এমন কি গাছও কেটে নিয়ে যায় । তিনি উত্তর দিলেন এগুলো করে তারা নিশ্চয় উপকৃত হয়। আর আমার উদ্যেশ্য তারা লাভবান হউক।এটাই আমার আনন্দ। সে দিন বুঝলাম মানুষ কত মহৎ হতে পারে । তাই আমাদের এই প্রচেষ্টার ফল হয়তো লক্ষ্ মানুষ ভোগ করবে আর সেটাই আমার আপনার সার্থকতা। আপনাদের আবারও আমন্ত্রণ জানিয়ে শেষ করি। ভাল থাকবেন এই কামনাই করি।
যারা আমাদের সাথে আছেন অথবা নতুন যোগদান করতে চান তারা আজই আমাদের ফরম পূরণ করে সদস্য হয়ে যান। জীবনেরজন্য গাছ, গাছের জন্য মানুষ!
আমাদের নিয়মঃ

1। niemreza2013@gmail.com  ফেজবুকে সকল পোষ্ট শিয়ার করতে হবে।
2। সম্পূর্ন নিজ উদ্যোগে কাজ করতে হবে।
3। সংগঠনের সকল শৃঙ্খলা মানিয়া চলিতে হবে।
4। কোন প্রকার প্রাপ্তির আশা করা যাবে না।
5। কোন দিন এই গাছের মালিকানা দাবি করা যাবে না।
6। গাছ পরিচর্যায় আগ্রহী হতে হবে।
7। সংগঠনের সকল বৈঠকে উপস্থিত থাকতে হবে।
8। সংগঠন বহিভূত কাজ করলে যে কোন সময় কর্তৃপক্ষ সদস্য পদ বাতিল করবে।


আমি সকল নিয়ম মানিয়া নিন্ম ফরম পূরণ করিলাম……

আপনিও যদি “পৃথিবীর দীর্ঘতম তালগাছের সারি তৈরীর লক্ষে” এর গর্বিত সদস্য হতে চান এই লিংকে ক্লিক করে সদস্য ফরম পুরণ করুণ।  CLICK HERE



তাল গাছ Palm Tree



যা কেউ কখনো ভাবেনি সে ই ভাবনা নিয়ে ্আমাদের পথ চলা, ভাবতেই মনে পড়ে যাই কাজ শুরুর ইতি কথা।
“পৃথিবী দীর্ঘতম তালের সারি তৈরীর লক্ষ্যে” "In order to develop the world's longest row of palm"
“পৃথিবী দির্ঘতম তালের সারি তৈরীর লক্ষ্যে” এক যুবকের স্বপ্ন হাজার মানুষের কৌতুহল জেগেছে আজি বেজেছে মাতাল। যেখানে বাধা সেখানে সফলতা, যেখানে স্বপ্ন সেখানে পূর্ণতা, কেন বলতে হল এই কথা? শুরু থেকে অনেক বাধা অতিক্রম করে আজ এ পর্যন্ত আসতে পেরে অনেক কথাই মনে পড়ে যায়। তবু কোন দিন হতাশাগ্রস্থ হয়নি। বুকভরা আশা আর স্বপ্ন সারাক্ষণ বসন্তের জানালায় কড়া নেড়েছে। শুরুতে যারা আমার সাথে ছিল তাদের অনেকেই আজ নেই। হয়তো তারা এখন মনে মনে আফসোস করে কিন্তু মুখ ফুটে বলতে পারে না। তাই তাদের জন্য বলি হতাশা হবেন না । কারণ আমি এটা পছন্দ করিনা। আপনাদের জন্য আমরা সর্বক্ষনিক মমতাময়ী। আপনারা আসুন আমরা সবাই মিলে এই মহৎ কাজ করি। আর নতুনরা যে কোন সময় যে কোন দিন আমাদের সাথে সন্দর্য্পূর্ণ এই কাজে অংশগ্রহন করে আপনিও হতে পারেন আমাদের এক জন। আমরা এখানে একটি হাদিসের কথা দিয়ে এটুকু বলতে চাই আমাদের কাজ নিঃসন্দেহ ভাল কাজ। “মুসলিম যেগাছ লাগায় তা থেকে কোন মানুষ, কোন জন্তু এবং কোন পাখী যা কিছু খায়, তবে তাতার জন্য সাদকাহ হয়ে যায়।” (সহীহুল বুখারী ২৩২০,মুসলিম ১৫৫২) শুরু থেকে আমার একার প্রচেষ্টার মধ্যে যারা প্রথম ছিল তাদের নাম না বললেই নয় এই লিংকে জেনে নিন-http://niemreza.blogspot.com/2015/0...
আমাদের এই এক দল যুবকের আপ্রাণ প্রচেষ্টা 20 কিলোমিটার রাস্তার পাশে তালের চারা রোপন করা শেষ হয়েছে। এখন আমারা আগামী 10 সেপ্টেম্বর 2016 সালে যশোর পুলেরহাট থেকে রাজগঞ্জ হয়ে পাটকেলঘাটা, সাতক্ষীরা। যে রোড নতুন সংস্কার হয়েছে এই রাস্তা আনুমানিক 70 থেকে 75 কিলোমিটার রাস্তা আমরা তাল গাছ লাগানোর উদ্যোগ নিয়েছি। যে হেতু আমরা পৃথিবীর দির্ঘতম তালের সারি তৈরী করতে চাচ্ছি, তাই এই 75 কিঃ ও আমাদের আগের 20 কিঃ মোট 95 কিঃ মিঃ রাস্তা সমাপ্ত করতে পারলে হয়তো আমরা একদিন সফল হতে পারব। আমাদের স্বপ্ন বাস্তবে রূপ নিবে। আমরা চাই আমাদের স্বপ্নের সাথে আপনিও স্বপ্ন দেখুন এবং আমাদের সাথে কাজ করুন। যদি আপনি বাংলাদেশের অন্য কোন প্রান্তে থেকে থাকেন তবে কি করবেন? আমাদের 01818 655090 নং যোগাযোগ করুন। আমরা আপনার মাধ্যমে সেখান থেকেও কাজ শুরু করব। কারণ আমাদের “পৃথিবী দির্ঘতম তালের সারি তৈরীর লক্ষ্যে” শুধু এটাই লক্ষ নয়! “একটি বৃক্ষ হতে পারে আপনার জীবনের রক্ষা কবচ” শুধু কি আমরা তাল গাছ লাগাব? না আমরা ইতি মধ্যে 200 বাসা বাড়িতে ফলজ বৃক্ষ দিয়ছি। অতএব আমরা সকল গাছের পরিচর্যা ও রক্ষণাবেক্ষণ করে থাকি। পরিবেশের ভারসম্য রক্ষার্থে আমাদের এই সৎ সাহসের কাজ কিরছি। এটা সম্পূর্ণ সমাজ সেবার ও পর সেবার উদ্যেষে, নিজের জন্য নয়। আমরা সকলে জানি গাছ আমাদের পরম বন্ধু , কারণ যাদের ঈশ্বরে বিশ্বাস নেই তারাও এই বৃক্ষ থেকে নিঃশ্বাস নিয়ে বেচে থাকে। আপনার একটি ভাল কাজ আপনার জীবন সার্থক করে দিতে পারে। ভাল কাজ করার মজাটাই আলাদা। সিরাজগঞ্জ আজগর ভাই তার কথা না বললেই নয়। তার সাথে কথা বলে আমার জীবনের একটা বড় ভুল ভেঙ্গে গেল। তার কাছে প্রশ্ন করলাম ভাই আপনি যে গাছ লাগান অনেকেই তো ডাল, পাতা, এমন কি গাছও কেটে নিয়ে যায় । তিনি উত্তর দিলেন এগুলো করে তারা নিশ্চয় উপকৃত হয় আর আমার উদ্যেশ্য তারা লাভবান হউক।এটাই আমার আনন্দ। সে দিন বুঝলাম মানুষ কত মহৎ হতে পারে । তাই আমাদের এই প্রচেষ্টার ফল হয়তো লক্ষ্ মানুষ ভোগ করবে আর সেটাই আমার আপনার সার্থকতা। আপনাদের আবারও আমন্ত্রণ জানিয়ে শেষ করি। ভাল থাকবেন এই কামনাই করি। 

Saturday, April 30, 2016

palm tree long lien




কলাপাড়া (পটুয়াখালী): পটূয়াখালীর কলাপাড়ায় বেড়ি বাঁধ রক্ষায় ও জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি কমাতে গ্রামবাসীরা স্বেচ্ছায় বাঁধের দুই পাশে তালের বীজ রোপন করেছে। 
বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা ওয়ার্ল্ড কনসার্ন বাংলাদেশের অর্থায়নে দুর্যোগের ঝুঁকি হ্রাস ও জলবায়ুর অভিযোজন প্রকল্পের আওতায় উপজেলার দুইটি ইউনিয়নের ঝুঁকিপূর্ণ বেড়িবাঁধগুলোতে এ কার্যক্রম শুরু হয়েছে।
এ উপজেলার নীলগঞ্জ ও টিয়াখালী ইউনয়নের ১৮টি গ্রামের প্রায় ২০ কিলোমিটার বেড়িবাঁধ ও রাস্তার পাশে ৫ হাজার তালের বীজ রোপন করা হবে। এ কার্যক্রমে স্থানীয় শত শত নারী-পুরুষ স্বেচ্ছায় অংশগ্রহণ করে। এছাড়া এগাছগুলো রক্ষণাবেক্ষণের জন্য দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির দুইজন করে সদস্য দায়িত্ব পালন করবে।
নাচনা পাড়া দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির সদস্য মো. দেলোয়ার হোসেন জানান, ওয়ার্ল্ড কনসার্নের সহায়তায় গ্রামে গ্রামে বীজ রোপনের কাজ শুরু হওয়ায় গাছ লাগানোর দিকে লোকজনের আগ্রহ বেড়েছে।
 
ওয়ার্ল্ড কনসার্ন বাংলাদেশের উপজেলার সমন্বয়কারী জেমস রাজিব বিশ্বাস জানান, দেশীয় প্রজাতির গাছ রক্ষা ও ঘূর্ণিঝড়ের ঝুঁকি এড়াতে এ কার্যক্রম শুরু করা হয়। এছাড়া এ গাছগুলো ভবিষ্যতে পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষার সহায়ক হবে বলে তিনি জানান।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. মশিউর রহমান জানান, মাটির গুণাগুণ বিবেচনায় কিছু কিছু প্রজাতি অঞ্চল ভেদে ভালো জন্মে। তাল, নারিকেল ও খেজুর জাতীয় গাছগুলো খুবই লবণ সহিষ্ণু। মাটির ক্ষয় রোধ, অল্প ছায়া বিস্তার ও অর্থনৈতিক গুরুত্ব বিবেচনায় এ উদ্যোটি খুবই ভালো।

আমরা তাদের স্বাগত জান্‌

সুন্দর পৃথিবী গড়ার লক্ষে “পৃথিবীর দির্ঘতম তালের সারি”




আশা করে গাছ লাগানো শুরু করলাম। তবে কেন তালগাছ? প্রশ্ন অনেকে করে।(তালগাছ কেন ফসলের ক্ষতি করেনা। তালের বোটা অত্যাধিক মজবুত এটা সহজে ঝরে পড়ে না, এর শিকড়,বাডাল পালা সব সময় উপরে এবং নিচের দিকে যায়। যা পাশে কোন ফসলের ক্ষতি হয় না।) ১৫-১৬ বছর আগে গাছ লাগানো শুরু করি, তখন এত আশা ছিল না। তখন বুঝতাম তালগাছ লাগিয়ে বড় হয়ে গাছ কাটব আর রস দিয়ে গুড় বানিয়ে বাজারে বিক্রয় করব। অনেক গাছ লাগালাম প্রায় ৫০ টি গাছ। কিন্তু কেন যেন ভাবলাম যখন এই গাছ বড় হবে অন্যরা আফসোস করবে। তখন অন্যেরে জমিতেও তালগাছ লাগালাম। এক সময় সব আশা আস্তে আস্তে বিলিন হয়ে গেল। ১৫ বছর পর একদিন আফসোস হলো যদি সেদিন আরও ১০০০ এক হাজার গাছ লাগাতাম তবে আজ দেখতে কেমন হতো? কত ফল তাতে ধরত? কত মানুষের উপকার হত এই গাছ থেকে? আবারও স্বপ্ন মনের মাঝে নাড়া দিতে লাগল। শুরু করলাম গাছ লাগানো। ১৯ সেপ্টেম্বর ২০১৪ আমর কিছু বন্ধু নিয়ে ১০ কিঃ মিঃ রাস্তায় তালের চারা রোপন করলাম। আমাদের কার্যক্রম দেখে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর খুশি হয়ে ৫০ টি বাসা বাড়িতে ১৫০ পিছ ফলজ বৃক্ষ আমার মাধ্যমে বিতরণ করে , উৎসাহ আরও বেড়ে গেল ১৯ সেপ্টেম্বর ২০১৫ আমরা আবারও ১০ কিঃ মিঃ মোট ২০ কিঃ মিঃ রাস্তা তালগাছ সম্পূর্ণ নিজ উদ্যোগে, নিজ খরচে রোপন করেছি, যেহেতু স্বপ্নের পাশাপাশি “পৃথিবীর দির্ঘতম তালের সারি” তৈরীর চেষ্টাই আছি তাই আগামি বছর আমরা ১০০ কিঃ মিঃ রাস্তা বৃক্ষ রোপনের উদ্যোগ গ্রহণ করেছি। যাহাতে একটা বিশাল অংকের আীর্থক, সময়, শ্রম প্রয়োজন তাই সকল বৃক্ষ প্রেমী ও সমাজ সেবক ভাই/বোন আমাদেও সাথে অংশ নিয়ে “পৃথিবীর দির্ঘতম তালের সারি” তৈরীতে সহযোগিতা করতে পারেন। একটি গাছ হতে পারে আপনার জীবনের রক্ষা কবচ। এই গাছ আপনার আমার সুন্দর পৃথিবীর একটি বড় ভুমিকা পালন করে। তাই সকলে এই গাছকে বাঁচিয়ে রাখার সাথে সাথে শৈলপিক কারিগর, প্রাকৃতিক সৈন্দয্য কবি রজনি কান্ত এর স্মৃতি বহন কারী পাখি ‘বাবুই’ তাকে সুন্দর ভাবে বাচার অধিকার দিয়ে আমাদের মানব জীবন স্বার্থক করি। সার্বিক যোগাযোগ-০১৮১৮ ৬৫ ৫০ ৯০

“পৃথিবীর দির্ঘতম তালগাছের সারি তৈরীর লক্ষে”

The longest palm tree row in the world

প্রাকৃতিক সম্পদের সদ্ব্যব্যবহারে আপ্রাণ প্রচেষ্টা নাগরিক কর্তব্য এবং পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষার্থে (বনায়ন বৃদ্ধি, রাস্তার মাটি ক্ষয়রোধ, শিল্প ...